ইউরো টিম প্রিভিউ : তুরস্ক

এই নিয়ে চতুর্থবারের মত ইউরো খেলতে আসা তুরস্কের ইউরোতে সর্বোচ্চ সাফল্য বলতে ২০০৮ আসরে সেমিফাইনালে ওঠা, জার্মানির কাছে সেমিফাইনাল হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের। গ্রুপ ‘ডি’ তে তুর্কির প্রতিপক্ষ এইবার গত দুইবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেইন, চেক প্রজাতন্ত্র, এবং ক্রোয়েশিয়া। যথেষ্টই কঠিন গ্রুপ। কোচ ফাতিহ তেরিম কিছুদিন আগে ইউরো অভিযানের জন্য ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন। দেখে নেওয়া যাক দলটা।

  • গোলরক্ষক

ভলকান বাবাকান (ইস্তানবুল বাসাকসেহির)

ওনুর কিভরাক (ত্রানজোনস্পর)

হারুন তেকিন (বার্সাসপোর)

  • ডিফেন্ডার

সেমিহ কায়া (গ্যালাতাসারাই)

কানের এরকিন (ইন্টার মিলান)

গোখান গোনুল (ফেনেরবাচে)

হাকান বালটা (গ্যালাতাসারাই)

ইসমাইল কোয়েবাসি (বেসিকতাস)

আহমেত ইলমাজ কালিক (গেনক্লেরবিরলিজি)

সেনের ওয়েজবায়েরাকলি (ফেনেরবাচে)

  • মিডফিল্ডার

নুরি সাহিন (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড)

হাকান কাহনাগলৌ (বেয়ার লেভারকুসেন)

সেলচুক ইনান (গ্যালাতাসারাই)

আর্দা তুরান (বার্সেলোনা)

ওলচায় শাহান (বেসিকতাস)

ওঘুজান ওজিয়াকাপ (বেসিকতাস)

মেহমেত তোপাল (ফেনেরবাচে)

ওজান তুফান (ফেনেরবাচে)

ইউনুস মালি (মেইঞ্জ ০৫)

ভলকান সেন (ফেনেরবাচে)

তুরস্কের আশাভরসার অনেকটাই নির্ভর করছে অধিনায়ক আরদা তুরানের ওপর
তুরস্কের আশাভরসার অনেকটাই নির্ভর করছে অধিনায়ক আরদা তুরানের ওপর

 

  • স্ট্রাইকার

বুরাক ইলমাজ (বেইজিং গুয়ান)

চেঙ্ক টোসুন (বেসিকতাস)

এমরে মর (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড)

  • উল্লেখযোগ্য যারা বাদ পড়েছেন

গোখান তোরে (মিডফিল্ডার, বেসিকতাস)

করিম ফ্রেই (মিডফিল্ডার, বেসিকতাস)

মেভলুত এরডিঙ্ক (স্ট্রাইকার, গুইনগাম্প)

উমুত বুলুত (স্ট্রাইকার, গ্যালাতাসারাই)

ভলকান দেমিরেল (গোলরক্ষক, ফেনেরবাচে)

can-turkey-qualify-for-euro-2016-kazakhstan

ইউরো বাছাইপর্বের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে দুঃস্বপ্নের মত শুরু করা তুরস্ক শেষ তিন ম্যাচ যেভাবে ক্লিন শিট রেখে জিতেছে, তা তাদের অদম্য ও অনমনীয় মনোভাবেরই পরিচয় দেয়। হল্যান্ডের মত দলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে তাদের ইউরো স্বপ্ন ভেস্তে দিয়ে এবার ইউরো খেলতে এসেছে তুর্কিরা, আলাদা নজর একটু তাদের উপরে থাকবেই।

আছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার নুরি সাহিনও
আছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার নুরি সাহিনও

গোলবারের নিচে ফেনেরবাচের অভিজ্ঞ ভলক্যান দেমিরেলকে দলে না নেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোচ ফাতিহ তেরিম, তাঁর জায়গায় তুর্কিদের এক নম্বর গোলরক্ষক এবার ইস্তাম্বুলের ভলকান বাবাকান। রাইটব্যাক হিসেবে থাকছেন ফেনেরবাচের অভিজ্ঞ গোখান গোনুল, এই পজিশানে তাঁর ব্যাকআপ ক্লাব-সতীর্থ সেনের ওয়েজবায়েরাকলি। লেফটব্যাকে খেলবেন মাত্রই ইন্টার মিলানে যোগ দেওয়া ডিফেন্ডার কানের এরকিন। লেফটব্যাকে ব্যাকআপ থাকবেন বেসিকতাসের ইসমাইল কয়েবাসি। সেন্টারব্যাকে জুটি বাঁধার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশী দুই গ্যালাতাসারাই সতীর্থ সেমিহ কায়া ও হাকান বালটার। মিডফিল্ডার মেহমেত তোপালও খেলতে পারেন সেন্টারব্যাক হিসেবে।

1456635_Torquay_United
৪-২-৩-১ এ খেলাতে পছন্দ করা কোচ ফাতিহ তেরিম দুই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হিসেবে রাখতে পারেন গ্যালাতাসারাইয়ের সেলচুক ইনান ও ফেনেরবাচের তরুণ মিডফিল্ডার ওজান তুফানকে। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের নুরি সাহিন ফিট থাকলে তুফানের জায়গায় খেলতে নামতে পারেন তিনিও। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে সাবেক আর্সেনাল মিডফিল্ডার ওঘুজান ওঝিয়াকাপের খেলার সম্ভাবনা সর্বাধিক, ডানে খেলবেন দলের অধিনায়ক, বার্সেলোনার আরদা তুরান। বাঁয়ে খেলার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী বেয়ার লেভারকুসেনের সেটপিস স্পেশালিস্ট হাকান কাহনাগলৌ এর। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের নতুন খেলোয়াড় এমরে মরকেও দেখা যেতে পারে অ্যাটাকিং মিডফিল্ড রোলে, আছেন মেইঞ্জের ইউনুস মালিও। স্ট্রাইকার হিসেবে খেলার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশী মাত্রই গ্যালাতাসারাই থেকে চিনে পাড়ি জমানো স্ট্রাইকার বুরাক ঈলমাজের। তাঁর ব্যাকআপ থাকছেন চেঙ্ক তোসুন।

২০০৮ এর মত আবারো কি তুরস্ক নতুন কোন ঝলক দেখাবে? অপেক্ষা করতে হবে ইউরোর জন্য!

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

two × three =