আর্জেন্টিনা ভার্সেস কলম্বিয়াঃ ৪টি কথা

ESPN

সকালে না ঘুমিয়ে কলম্বিয়ার সাথে আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখার পর আমার ৪টি অবজারভেশনঃ

১। ক্লাব লেভেলে বাজে সময় কাটানো ২ গোলকিপার এখন নায়কঃ

আর্জেন্টিনার কিছু ফ্যানের মনে এখনো সার্জিও রোমেরো নিয়ে কনফিউশন আছে। তবে এই পেনাল্টি শুট-আউটের পর কনফিউশন থাকলেও কিছু বলার নেই। পুরো ম্যাচে বসে থাকলেও দুর্দান্তভাবে জুনিগার পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিয়েছেন তিনি, যেটি পুরো পেনাল্টি শুট-আউটে একমাত্র সেইভ। অথচ গত ২ সিজন ধরে তিনি ক্লাবের ২য় পছন্দ।

অন্যদিকে ওসপিনার ব্যাপার ভিন্ন। নিজের পারফরমেন্সে আর্সেনালের মত একটি ক্লাবের প্রথম পছন্দের কিপারে পরিণত হলেও চেকের আগমনে তাঁর ক্লাব ছাড়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ক্লাবে আনসারটেইন সময় কাটালেও সেটা বিন্দুমাত্র বুঝার উপায় নেই তাঁর গতকালের পারফর্মেন্সে। একাই একাই আর্জেন্টিনার অ্যাটাকারদের বিরুদ্ধে লড়াই করে গিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে অসাধারণ ছিল প্রথমে আগুয়েরোর শট ও তারপর দ্রুত গতিতে উঠে দাঁড়িয়ে মেসির পয়েন্ট-ব্ল্যাংক হেডার ঠেকিয়ে দেওয়া।

ESPN

২। রেসলিং শুধু কলম্বিয়া খেলে, বাকিরা সবাই ফুটবল খেলেঃ

ডিসগাস্টিং!

পুরো ম্যাচে কলম্বিয়ার খেলোয়ারদের মূল লক্ষ্য ছিল একটাই, “Beat the hell out of Argentina!!”

*** মেক্সিকান রেফারির সাহচর্যে ও আদরে পুরো ম্যাচ কলম্বিয়া না কাটালে হুয়ান কুয়াদ্রাদো, সান্তিয়াগো আরিয়াস, অ্যালেক্সান্দার মেইজা প্রত্যেকে রেড কার্ড পেতে পারতেন। কিভাবে কলম্বিয়ার এক জন খেলোয়াড়ও রেড কার্ড না পেয়ে মাঠ ছাড়লেন তা আশ্চর্যের ব্যাপার।

পুরো ম্যাচে এভাবে মেসি ফাউল হয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই রেফারি ছিলেন নিশ্চুপ।
পুরো ম্যাচে এভাবে মেসি ফাউল হয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই রেফারি ছিলেন নিশ্চুপ।

৩। পেকারম্যানের ভুলের দ্রুত সংশোধন কাজে লেগেছেঃ

ম্যাচের শুরুর দিকের এক আশ্চর্যজনক ব্যাপার ছিল পেকারম্যানের ২ স্ত্রাইকার খেলানোর সিদ্ধান্ত। জিনিসটা যে কাজ করছিল না, তা শুরুতেই বুঝা যাচ্ছিল। আর্জেন্টিনার মিডফিল্ড কলম্বিয়ার উপর ছড়ি ঘুরাচ্ছিল। সাহসী পেকারম্যান নিজের ভুল বুঝতে পেরে খুব দ্রুত টেওফিলো গুটিরেজকে পরিবর্তন করে মিডফিল্ডার এডউইন কারডোনাকে নামান।

৪। আগুয়েরোর পারফর্মেন্সের উন্নতি প্রয়োজনঃ

এত ওয়ার্ল্ড ক্লাস ফরওয়ার্ড, কিন্তুু তা সত্ত্বেও বর্তমানে আর্জেন্টিনা গোল সঙ্কটে আছে। এই ম্যাচে পাস্তোরে, মেসি, ডি মারিয়া বেশ ভালো খেললেও আগুয়েরোকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন অন্য অ্যাটাকারদের সাথে ভিন্ন ওয়েবলেংথে আছেন তিনি। ম্যানসিটির জার্সি গায়ে তাঁর কাছ থেকে যেমন ওয়ার্ক-রেট দেখা যায় তার বিন্দুমাত্র দেখা যাচ্ছিল না, একই সাথে তাঁর অফ দ্যা বল মুভমেন্টও ছিল খুবই খারাপ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

8 + 14 =