আমাদের টি২০ ক্রিকেটের সালতামামি

আমাদের টি২০ ক্রিকেটের সালতামামি

এ বছর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ১৬টি আন্তর্জাতিক টি২০ ম্যাচ খেলেছে। জয় পেয়েছে পাঁচ ম্যাচে, হেরেছে ১১ ম্যাচে। পাঁচটি জয়ের মধ্যে তিনটি উইন্ডিজেত বিপক্ষে, দুটো লংকানদের বিপক্ষে।

আমাদের পক্ষে ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ১৬ ইনিংসে ৩৪ গড়ে ৪১৪ রান করেছে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ গড়ে ১৬ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের ৩৯৭ রান। ২৩ গড়ে ১৫ ইনিংসে তামিমের রান ৩৫৪। লিটনের রান ৩৩৩, সাকিবের রান ২৪৮।

এবছর মুশি সর্বোচ্চ তিনটি অর্ধশতক করে। তামিম, লিটন, সাকিব দুটি অর্ধশতক করে। সাব্বির ও সৌম্য সরকারের অর্ধশতকের সংখ্যা এক। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ ভারতের বিপক্ষে সাব্বিরের ৭৭, এরপরে উইন্ডিজের বিপক্ষে তামিমের ৭৪, মুশি শ্রীলংকা ও ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল ৭২ রানের দুটি ইনিংস।

২০১৮ সালে টি২০ ক্রিকেটে রিয়াদ সর্বোচ্চ ৩৯ টি বাউন্ডারি মেরেছে, মুশির চার ৩৭টি। তামিম ৩৫ ও সাকিব চার মেরেছে ৩১টি। সর্বোচ্চ ১৭টি ছয় মেরেছে লিটন দাস। রিয়াদের ছক্কার সংখ্যা ১৩ ও তামিমের ১২টি। মুশি মেরেছে ৯টি ছয়।

বল হাতে সর্বাধিক ৪৫.১ ওভার বল করে ২১ উইকেট নিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান। ৪০ ওভার বল করে সাকিবের শিকার ১৫ উইকেট। ৪১.১ ওভার বল বছরের তৃতীয় সফল বোলার ১৩ উইকেট নেওয়া রুবেল। রিয়াদ নিয়েছে ৯ উইকেট।

এবছর সেরা বোলিং গড় ছিল রিয়াদের ১৪.৩৩। এরপরে সাকিবের ১৭.৭৩; মুস্তাফিজের ছিল ২১.১৯। এবছর কমপক্ষে ৩০ ওভার বল করা বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কম খরুচে বোলার ছিল নাজমুল ইসলাম অপু; তার ইকোনমি ছিল ৬.৮৮। সাকিবের ইকোনমি ছিল ৬.৬৫, রুবেলের ৮.৯৯, মুস্তাফিজের ৯.৮৫।

সেরা বোলিং ফিগার ছিল উইন্ডিজের বিপক্ষে সাকিবের ৫/২০। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেরা একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে রিয়াদের ৩/১৮ ও অপুর ৩/২৮।

এবছর বিশ্ব ক্রিকেটে ৫ জন বোলার (৬ জন নারী বোলার) আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছে। এরমধ্য আমাদের সাকিব আল হাসানের উইন্ডিজের বিপক্ষে ৫/২০ বছরের দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।

এবছর মুস্তাফিজের ২১ উইকেট এখন অবধি আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ।

::: রিফাত এমিল :::

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

18 − 6 =