আফ্রিদি ও তাঁর অবসরনামা

আফ্রিদি যতবার অবসরের ঘোষণা দিছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ততগুলো ছক্কাও মারতে পারে নাই। ইচ্ছে হলেই অবসর নেয় এবং পরে ভক্তকুল ও পরিবারের সবার অনুরোধে, পাকিস্তান ক্রিকেটের দুর্দশার কথা ভেবে অবসরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয়। এবারও সেই নাটকের আরেকদফা মঞ্চায়ন সফল ভাবে সম্পন্ন হ্ওয়ার পথে….

টেস্ট-ওয়ানডে আগেই ছেড়েছেন, এখন শুধু টি-টোয়েন্টিই খেলেন। অনেক আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে বিদায় জানাবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। কিন্তু এখন উনি ফরমাইয়াছেন, অবসরের ঘোষনা পুনর্বিবেচনা করছেন। ইসএসপিএনক্রিকইনফোকে জানাইয়াছেন, অবসর না নিতে তার ওপর প্রচণ্ড চাপ আছে! তার নিজের জবানীতে, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই আমার পরিবার অনেক চাপ দিচ্ছে। আমার বন্ধুরা, বড়রাও চাপ দিচ্ছে, বলছেন যে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার কোনো দরকার নেই। প্রচণ্ড চাপ।”

ঠিক এইভাবেই সবাইকে কাঁচকলা দেখিয়ে অবসর নেওয়া-ভাঙ্গা চালিয়ে যাচ্ছেন সাহিবজাদা
ঠিক এইভাবেই সবাইকে কাঁচকলা দেখিয়ে অবসর নেওয়া-ভাঙ্গা চালিয়ে যাচ্ছেন সাহিবজাদা

ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। আবারও তিনি নিজের অবসর ঘোষণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর গৌরব অর্জন করার পথে। এবারের পর থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও হবে ৪ বছর পরপর। পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায়। এখন ৩৬ ছুঁইছুঁই সাহিবজাদা মোহাম্মদ শহীদ খান আফ্রিদি ২০২০ সালেও ৩৭ বছর বয়সে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সহি সালামতে অংশ নেবেন। (৪ বছর পরও আফ্রিদির বয়স ১ বছরই বাড়বে। ছোট থেকেই এ্ইটা দেখে আসতেছি)

(২০২০ বিশ্বকাপের পরও পরিবারের চাপ থকবে কিনা, সেটা ওই বিশ্বকাপের আগে-আগে জানা যাবে বলে জানা গেছে)

(অবসর নেওয়া আর ভাঙা খেলায় আফ্রিদির আগে চ্যাম্পিয়ন ছিলেন পাকিস্তানেরই মোহাম্মদ ইউসুফ। তবে সেই রেকর্ড আগেই বগলদাবা করে নিয়েছেন আফ্রিদি। ৩৭ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙার পরই আফ্রিদি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, অবসর নেওয়া-ভাঙার রেকর্ড সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যাবেন)।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

eighteen + 18 =