আফ্রিকান ইনিংসের কথকতা

১) বাধ্য না হলে মুশফিককে দিয়ে কিপিং করানোর বিরোধী কেন তার আরেকটা নজির রাখলেন আজ। মুস্তাফিজের বলে ১৮ রানে ফাফ ডু প্লেসিসের দেওয়া ক্যাচটা কঠিন ছিলো, কিন্তু রিফ্লেক্স আরেকটু ভালো হলে বা হাইটটা আরেকটু বেশি হলে বলটা তালুবদ্ধ হতো বলেই ধারণা করি। ১৮ রানে লাইফ পাওয়া প্লেসিস শেষ করেছেন ৭৯ রানে। ইনিংস অ্যাংকরিং করেছেন, ম্যাচ শেষ টেনেছেন, তারপর অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন। মাশরাফি’র বলে মিলারের ক্যাচটা? সাকিবের সৌজন্যে এই ক্ষতটা আর বড় হয়নি। প্রশ্ন হলো, লিটন স্কোয়াডে থাকতে মুশফিক কেন? কেন?

২) সোহাগ গাজীকে অনেকদিন পর দেখছি, পরিবর্তিত অ্যাকশনে। পিচ খুব স্লো। বল দেরিতে ব্যাটে আসছে। তারপরেও ভালো কিছু অনুভূত হলো না। অবশ্য পরিবর্তিত অ্যাকশনে আগের ফর্মে ফিরতে তাকে সময় দেওয়া সমীচীন। খুব অভাববোধ হচ্ছে মাহমুদউল্লাহ’র। আমার মতে, স্কিলের দিক থেকে ওই বাংলাদেশের সেরা ডানহাতি অফ স্পিনার। ও খেললে কম্প্রোমাইজ না করেই খুব সহজেই এক ব্যাটসম্যান বেশি নিয়ে খেলতে পারতো বাংলাদেশ। আর দক্ষিণ আফ্রিকা দলে প্রথম ৬ ব্যাটসম্যানের ৪ জনই বাঁহাতি; ডি কক, ডুমিনি, মিলার, রুশো। ওহ রিয়াদ!

৩) নাসির আবার মুগ্ধ করা শুরু করেছে। পাওয়ার প্লে তে, স্লগ ওভারে কার্যকরী বল করে দিচ্ছে। অসাধারণ সব ক্যাচ নিচ্ছে। মাঠে হান্ড্রেড পার্সেন্ট কমিটমেন্ট নিয়ে ডাইভ দিয়ে বল আটকাচ্ছে। ব্যাটিংয়ের সুযোগ কম পাচ্ছে। পেলে এই কনফিডেন্সেই ওর ব্যাটিং ওর স্ট্যান্ডার্ডে পৌছে যাবে।

৪) মুস্তাফিজ আজও দারুণ বল করেছে। তবে ভারতের সাথে শেষ ম্যাচে ধোনি, রায়ডুরা ওকে বাকফুটে এসে খেলে খানিক সাফল্য পেয়েছিলো। লজিকটা ক্লিয়ার ছিলো। গ্রিপ যেহেতু বোঝা যাচ্ছে না সুতরাং বেশি চার্জ না করে দেরিতে খেলো। তাতে খানিক কাজ হয়েছিলো। আজ দক্ষিণ আফ্রিকাও সেই পথ ধরলো। ৪-০-৩০-০। স্ট্রাটেজি সফল বলা যায়।

৫) মাশরাফি টসের সময় বলেছিলেন, ১৫০ চেজেবল। স্টেইন, মরকেল, তাহির নেই। তামিম-সৌম্য’র স্টার্টিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। লেটস হোপ।

৬) গ্রেট ইনিংস, ফাফ।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

5 − five =