অ্যাংলো-পাক সিরিজ : খোলা চোখে

সবগুলো টেস্টেই উইকেট দারুণ ছিল। বিশেষ করে শেষ টেস্ট, ওভালের উইকেট। এর চেয়ে আদর্শ উইকেট হয় না। পেস, বাউন্স, ক্যারি, টার্ন, রান…সবই ছিল 🙂 । উইকেট ভালো বলে ক্রিকেটও হয়েছে কোয়ালিটি। এজন্যই সব মিলিয়ে জমজমাট ছিল।

স্টোকস না থাকায় ইংল্যান্ড একটু ভুগেছে। মিডল অর্ডার একদমই ভালনারেবল ছিল। ওকস অবশ্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ভালো বোলিং ও ব্যাটিং করে পুষিয়ে দিয়েছে।

ইয়াসির শাহ ওভাররেটেড? আমার মতে, উল্টো। যতটা হাইলি রেট করা উচিত, ততটা হয় না। ওর প্রশংসায় বেশির ভাগ সময়ই উইকেট সংখ্যা-টংখ্যা দিয়ে বিচার করে দেখি। স্কিলটা নিয়ে বলা হয় কমই। দারুণ স্কিলফুল বোলার ভাই, দারুণ ক্যারেকটার। গুগলিটা এখনও ভালো না, তার পরও যা করে বল নিয়ে! ওটা ভালোভাবে রপ্ত করতে পারলে ম্যাসাকার করে ফেলবে। ইয়াসিরের বোলিং দেখার চেয়ে আনন্দময় কিছু ক্রিকেট বিশ্বেই কম আছে এখন।

মিশ্র? নাহ! সেও স্কিলফুল। তবে লঙ্গার ভার্সনে শুধু স্কিল থাকলে হয় না। সেটা কখন দেখাবে, কখন বের করবে, ব্যাটসম্যানকে কিভাবে সেট আপ করবে, এসব ব্যাপার আছে। ধৈর্য্য ধরার ব্যাপার আছে। মিশ্রর এসবে ঘাটতি আছে অনেক। সুযোগ পায় না পায় না করেও কিন্তু ২০ টেস্ট খেলে ফেলছে মিশ্র! এই ঘাটতিগুলো বারবারই চোখে পড়েছে। ওকে বড়জোর বলা যায় টি-টোয়েন্টির জন্য দারুণ বোলার।

কমেন্টস

কমেন্টস

মন্তব্য করুন

two × 5 =